খুঁজুন
শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২৭ ভাদ্র, ১৪৩৩

নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হলে মেনে নেব: তারেক রহমান

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৫:৪৩ অপরাহ্ণ
নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হলে মেনে নেব: তারেক রহমান

নির্বাচন নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ হলে মেনে নেওয়ার কথা বলেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, নির্বাচন যদি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও বিতর্কহীন হয়, তাহলে অবশ্যই কেন মেনে নেব না? আমরা সব দলই মেনে নেব। তবে অবশ্যই এখানে একটা শর্ত আছে- নির্বাচন নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ হতে হবে।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন, আমি সবাইকে আহ্বান করব, আমরা সবাই মিলে চেষ্টা করি যেন ভোটাররা শান্তিপূর্ণ ও সুন্দরভাবে তাদের এই অধিকার প্রয়োগ করতে পারেন। আমরা সকলে মিলে প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ার উদ্যোগ গ্রহণ করতে পারি।

বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, আমি ঢাকা শহরের কিছু জায়গায় কেন্দ্র ঘুরে এসেছি। গতরাতেও তারা চেষ্টা করেছে, আজও নিশ্চয়ই তাদের সেই চেষ্টা অব্যাহত থাকবে; তবে জনগণ একটি শান্তিপূর্ণ পরিবেশে তাদের ভোট প্রদান করতে পারছেন। কারণ গত এক যুগের বেশি সময় ধরে মানুষ এই অধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল। এখন মানুষের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা আছে।

জয়ের ব্যাপারে বিএনপি কতটা আশাবাদী জানতে চাইলে তারেক রহমান বলেন, আমরা আত্মবিশ্বাসী, আলহামদুলিল্লাহ বিজয়ের ব্যাপারে আশাবাদী। কত আসনে জয়ের আশা করছেন এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, আমরা এতটুকু প্রত্যাশা করছি, যত আসন পেলে আমরা সুন্দরভাবে দেশ পরিচালনা করতে পারব।

নির্বাচনে বিএনপি জয়ী হলে জাতীয় সরকার গঠনের সম্ভাবনা আছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, যাদের সঙ্গে নিয়ে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছি, কম-বেশি সবাইকে নিয়ে দেশ পরিচালনা করতে চাই।

সারা দেশের ভোটের খবর কেমন জানতে চাইলে তারেক রহমান বলেন, আমি এতক্ষণ বিভিন্ন কেন্দ্র ঘুরেছি, এখনও সারা দেশের খবর পাইনি। এই মাত্র অফিসে আসলাম। ৫ ঘণ্টা অতিবাহিত হয়েছে, কিন্তু আমি বিভিন্ন কেন্দ্র ঘুরছিলাম। ফলে আমি বিস্তারিত খবর নিতে পারিনি। মোবাইলে বিভিন্ন গণমাধ্যমের সংবাদ দেখছিলাম। সেখানে দেখলাম, এখন বিভিন্ন জায়গায় অপ্রত্যাশিত ঘটনা ঘটছে। কোনো একটি রাজনৈতিক দল কিছু অপ্রত্যাশিত ঘটনা বারবার ঘটিয়ে যাচ্ছে। আমরা চাই না এমন ঘটনা ঘটুক।

তিনি বলেন, আমরা মনে করি দেশের মালিক হচ্ছে জনগণ। তারা যদি বেরিয়ে আসে এবং অধিকার প্রয়োগ করে, তবে ভোটের সংখ্যা যত বাড়বে সকল দলের ষড়যন্ত্র প্রতিহত করা যাবে।

তারেক রহমান বলেন, যারা অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটাচ্ছে, তাদের প্রতি মানুষের বিরূপ ধারণা বাড়বে। এই ঘটনাগুলো ভালো না। তারা বিভিন্নভাবে অনৈতিক কাজ করার চেষ্টা করছে।

ভোটের ফল গণনায় দেরি হওয়ার আশঙ্কা আছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ফল গণনা নিয়ে দেরি হওয়ার কোনো কারণ দেখি না। কেন দেরি হবে? সমগ্র দেশের মানুষ যেখানে ভোট দিয়েছে, সেখানে তারা তো ফল দ্রুতই চাইবে। নির্বাচন কমিশন চেষ্টা করবে যত দ্রুত সম্ভব মানুষের ভোটাধিকারের ফল তাদের কাছে পৌঁছে দিতে।

বিএনপি চেয়ারম্যান আরও বলেন, আমরা ৯১, ৯৬ ও ২০০১ সালেও নিরপেক্ষ নির্বাচন দেখেছি। ফল ঘোষণার সাধারণ একটা সময় তো আছেই। আমরা প্রত্যাশা করব এবারও মানুষ যত দ্রুত সম্ভব ভোটের ফল জানতে পারবে।

অন্য এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা দেখছি, মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এ রকম বিষয় তো মেনে নেওয়া যাবে না, কেউ মেনে নেবে না।

ভোটের সার্বিক পরিবেশ নিয়ে তারেক রহমান বলেন, আমি ঢাকা শহরে যেমন পরিবেশ দেখেছি, তাতে মনে হয়েছে মানুষ অত্যন্ত উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দিচ্ছে।

‘বেঁচে থাকতে কেউ নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’-বলার পরই বিএনপি নেতার মৃত্যু

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৩২ অপরাহ্ণ
‘বেঁচে থাকতে কেউ নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’-বলার পরই বিএনপি নেতার মৃত্যু

‘আমি বেঁচে থাকতে কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’-নির্বাচনী মাঠে এমন দৃঢ় প্রত্যয়ের কথা বলার কয়েক ঘণ্টা পরই চিরতরে নির্বাচনী মাঠ ছাড়লেন কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম খোকন।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়ে দিনভর গণসংযোগ করার পর রাতেই না ফেরার দেশে চলে যান তিনি।

তিনি চান্দিনা উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক এবং কুমিল্লা উত্তর জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি ছিলেন। গত কয়েক মাস ধরে শুহিলপুর ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে ভোটার ও সমর্থকদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছিলেন তিনি।

জানা যায়, এদিন নিজের ইউনিয়ন শুহিলপুরে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার লক্ষে হাজারো নেতাকর্মী ও সমর্থকদের নিয়ে গণসংযোগ করেন বিএনপির এ নেতা। চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে দিনভর নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের সঙ্গে নির্বাচনী শোডাউন করেছিলেন তিনি। সন্ধ্যায় পথসভায়ও দিয়েছিলেন জয়ের প্রত্যয়ী বক্তব্য।

দিনভর প্রচারণা শেষে গতকাল সন্ধ্যায় শালিখা বাজারে আয়োজিত পথসভায় নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বক্তব্য দেন খোকন।

পথসভায় বিএনপি নেতা বলেন, আপনারা কি চান, শাওন সাহেব (বর্তমান এমপি) আমাকে দলীয় প্রার্থী করুক? তাহলে নিশ্চিত থাকেন, শাওন সাহেব এই ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আমাকে প্রার্থী ঘোষণা করবেন।

তার বক্তব্যে ছিল নির্বাচনে জয়ের প্রত্যয়, ছিল ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা পরিকল্পনা। নেতা-কর্মীদের মধ্যেও ছিল উৎসাহ-উদ্দীপনা। কিন্তু কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানেই যেন বদলে গেল সবকিছু।

সারাদিনের নির্বাচনী কর্মসূচি শেষে রাতে বাড়ি ফিরে খাবার খান সাইফুল ইসলাম খোকন। এরপর ঘুমাতে যাওয়ার প্রস্তুতিকালে রাত আনুমানিক ১২টার দিকে হঠাৎ বুকে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করেন তিনি। পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাকে ইলিয়টগঞ্জ বাজারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে পরে দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর বাজারের একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে সেখানে তার মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছেন মেঝ ছেলে সাঈদ।

মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগেও যে মানুষটি নেতা-কর্মীদের সামনে দাঁড়িয়ে নির্বাচনে নিজের প্রার্থিতার কথা বলছিলেন, রাত না পেরোতেই সেই মানুষটিই চলে গেলেন না ফেরার দেশে। থেমে গেল তার রাজনৈতিক পথচলা। থেমে গেল চেয়ারম্যান হওয়ার স্বপ্ন। নির্বাচনী মাঠ থেকে সরে গেলেন ঠিকই তবে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বীর কাছে পরাজিত হয়ে নয়, চিরদিনের জন্য।

সাইফুল ইসলাম খোকনের আকস্মিক মৃত্যুতে শুহিলপুর ইউনিয়নসহ পুরো চান্দিনার রাজনৈতিক অঙ্গনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্বজন, রাজনৈতিক সহকর্মী, নেতা-কর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে বিরাজ করছে গভীর শোক ও বেদনা।

জানা যায়, আজ সকাল ১১টায় ইলিয়টগঞ্জ রা.বি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে তার নামাজে জানাজে শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

এদিকে জানাজা নামাজের আগে কুমিল্লা-৭ আসনের সংসদ সদস্য উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আতিকুল আলম শাওন বলেন, সাইফুল ইসলাম খোকন আমার মরহুম পিতার সময়কাল থেকে বিএনপি’র রাজনীতি করেছেন। আমার কয়েকজন অভিভাবকদের মধ্যে তিনিও ছিলেন একজন। তার এই মৃত্যুতে শুহিলপুর ইউনিয়নসহ উপজেলা বিএনপিতে শূন্যতা সৃষ্টি হবে।

‘ভালো হয়ে যাও মাসুদ’ খ্যাত বিআরটিএ কর্মকর্তা এবার ঢাকায়

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:১৮ অপরাহ্ণ
‘ভালো হয়ে যাও মাসুদ’ খ্যাত বিআরটিএ কর্মকর্তা এবার ঢাকায়

‘তুমি এখনো ভালো হওনি, ভালো হয়ে যাও মাসুদ’—সাবেক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের এমন মন্তব্যের পর দেশজুড়ে পরিচিতি পাওয়া বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) কর্মকর্তা মো. মাসুদ আলমকে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় বদলি করা হয়েছে। একই সঙ্গে সংস্থাটির আরও কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার দায়িত্বেও রদবদল আনা হয়েছে।

গত ৩১ আগস্ট বিআরটিএ চেয়ারম্যানের কার্যালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ বদলি ও পদায়নের বিষয়টি জানানো হয়। আদেশে উল্লেখ করা হয়, জনস্বার্থে নেওয়া এই সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর হবে।

অফিস আদেশ অনুযায়ী, বিআরটিএ চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) মো. মাসুদ আলমকে ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

অন্যদিকে ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) শফিকুজ্জামান ভূঞাকে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের একই পদে বদলি করা হয়েছে। ফলে মাসুদ আলমের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন তিনি।

উল্লেখ্য, বিআরটিএর সেবা ও অনিয়ম নিয়ে এক পরিদর্শনকালে কর্মকর্তা মাসুদ আলমকে উদ্দেশ করে ওবায়দুল কাদের বলেছিলেন, ‘তুমি এখনো ভালো হওনি, ভালো হয়ে যাও মাসুদ।’ তার সেই বক্তব্য দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং মাসুদ আলমকে ঘিরে আলোচনা তৈরি হয়।

বিশ্বের সর্বোচ্চ খেলাপি ঋণের দেশ এখন বাংলাদেশ

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:০১ অপরাহ্ণ
বিশ্বের সর্বোচ্চ খেলাপি ঋণের দেশ এখন বাংলাদেশ

যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ ইউক্রেনকে হটিয়ে বাংলাদেশ এখন বিশ্বের সর্বোচ্চ খেলাপি ঋণের দেশ। এখন ব্যাংক থেকে বিতরণ করা প্রতি ১০০ টাকা ঋণের প্রায় ৩৩ টাকাই খেলাপি। বাংলাদেশের পর পরই রয়েছে চাদ, ইকুয়েটোরিয়াল গিনি, আলজেরিয়া ও ঘানা। এর আগে বিশ্বে সবচেয়ে বেশি খেলাপি ঋণের দেশ ছিল যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউক্রেন। পরে পুরোনো খেলাপি ঋণ অবলোপন, ঋণ আদায় ও ভালো মানের নতুন ঋণ বাড়ানোর মাধ্যমে দেশটি এই হার দ্রুত কমিয়েছে। অন্যদিকে বাংলাদেশ উঠে এসেছে শীর্ষে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী ২০২৬ সালের জুন শেষে দেশের ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৬ হাজার ৫৫৫ কোটি টাকা। এটি ব্যাংকগুলোর বিতরণ করা মোট ঋণের ৩২ দশমিক ৭৮ শতাংশ। ২০২৬ সালের মার্চ শেষে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল ৫ লাখ ৮৮ হাজার ৭০৪ কোটি টাকা। পরের তিন মাসেই তা ১৭ হাজার ৮৫১ কোটি টাকা বেড়েছে। এর আগে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে খেলাপি ঋণ রেকর্ড ৬ লাখ ৪৪ হাজার ৫১৫ কোটি টাকায় উঠেছিল।

সবচেয়ে খারাপ অবস্থায় রয়েছে একীভূত হওয়া পাঁচটি ব্যাংক। এসব ব্যাংকের বিতরণ করা ঋণের ৮০ শতাংশের বেশি খেলাপি। এর বাইরে সরকারি-বেসরকারি আরও কয়েকটি ব্যাংকের অর্ধেকের বেশি ঋণ খেলাপি হয়ে পড়েছে। রাজনৈতিক প্রভাবে দেওয়া ভুয়া ও বেনামি ঋণ, দুর্বল তদারকি, ব্যবসায় মন্দা এবং জ্বালানিসংকটও খেলাপি ঋণ বাড়ার পেছনে ভূমিকা রেখেছে। মধ্য আফ্রিকার দেশ চাদে খেলাপি ঋণের সর্বশেষ প্রাপ্ত হার ৩১ দশমিক ৫১ শতাংশ।

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ফাইন্যান্সিয়াল সাউন্ডনেস ইন্ডিকেটরস ডেটাবেজে থাকা প্রতিটি দেশের সর্বশেষ তথ্য তুলনা করলে এটি বাংলাদেশের পর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। তবে দেশটির এ তথ্য ২০২৩ সালের ডিসেম্বরের। পরে দেশটি আর আইএমএফের এই সূচকে নতুন তথ্য দেয়নি।তালিকার তৃতীয় স্থানে রয়েছে মধ্য আফ্রিকার আরেক দেশ ইকুয়েটোরিয়াল গিনি।

আফ্রিকান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দেশটির ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের হার এখন ৩০ শতাংশ। ২০২৩ সালে এ হার ৩২ দশমিক ৫ শতাংশ ছিল।উত্তর আফ্রিকার দেশ আলজেরিয়ায় ২০২৫ সালের ডিসেম্বর শেষে খেলাপি ঋণের হার ছিল ২০ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ। আইএমএফে প্রকাশিত দেশগুলোর সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য তুলনা করলে এটি চতুর্থ সর্বোচ্চ।তালিকার পঞ্চম স্থানে রয়েছে পশ্চিম আফ্রিকার দেশ ঘানা। ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে দেশটির ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের হার ছিল ১৮ দশমিক ১১ শতাংশ। ২০২৩ সালে ঘানার খেলাপি ঋণের হার ছিল ২০ দশমিক ৬ শতাংশ।

খেলাপি ঋণের তালিকায় দীর্ঘ সময় ধরে শীর্ষে ছিল ইউক্রেন। ২০২৩ সালের দেশটির খেলাপি ঋণের হার ছিল ৩৭ দশমিক ৪ শতাংশ। রাশিয়ার হামলার পরে অর্থনৈতিক ধাক্কায় তা প্রায় ৩৯ শতাংশে উঠেছিল। তবে ২০২৪ সাল থেকে ইউক্রেনের ঋণ পরিস্থিতির উন্নতি হতে শুরু করে। ঋণ আদায়, পুনর্গঠন এবং তুলনামূলক ভালো মানের নতুন ঋণ বিতরণ বাড়ায় মোট ঋণের বিপরীতে খেলাপি ঋণের অনুপাত কমেছে।

ইউক্রেনের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হিসাবে, ২০২৫ সালের প্রথম ছয় মাসে দেশটির ব্যাংক খাতে মোট ঋণ ১৩৩ দশমিক ৭ বিলিয়ন হৃভনিয়া বা ১০ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়েছিল। একই সময়ে খেলাপি ঋণের হার নেমে আসে ২৭ শতাংশে।

উল্লেখ্য, ১ মার্কিন ডলার সমান হচ্ছে ৪৪ দশমিক ৬১ হৃভনিয়া।২০২৪ সালের জুনে বাংলাদেশের ব্যাংক খাতে আনুষ্ঠানিকভাবে খেলাপি ঋণ ছিল ২ লাখ ১১ হাজার ৩৯১ কোটি টাকা। দুই বছরের মধ্যে তা বেড়ে ৬ লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। তবে এমন নয় যে পুরো খেলাপি ঋণ এই সময়ের মধ্যেই নতুন করে সৃষ্টি হয়েছে। বরং দীর্ঘদিন ধরে পুনঃ তফসিল, বিশেষ ছাড় ও হিসাবগত কৌশলে আড়াল করে রাখা বিপুল সমস্যাগ্রস্ত ঋণ এখন খেলাপি হিসেবে স্বীকৃতি পাচ্ছে।

‘বেঁচে থাকতে কেউ নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’-বলার পরই বিএনপি নেতার মৃত্যু ‘ভালো হয়ে যাও মাসুদ’ খ্যাত বিআরটিএ কর্মকর্তা এবার ঢাকায় বিশ্বের সর্বোচ্চ খেলাপি ঋণের দেশ এখন বাংলাদেশ রাজধানীর জিরো পয়েন্ট থেকে সদরঘাট পর্যন্ত রাস্তায় কোনো হকার বসতে পারবে না গৃহকর্মীর মৃত্যু: স্ত্রীসহ ডেইলি স্টারের নির্বাহী সম্পাদক আশফাকের বিচার শুরু