বাগেরহাটে অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ
বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলায় বাবার বাড়িতে বেড়াতে আসা অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে ফেরদৌস হাওলাদার (৩০) নামে একজনকে আটক করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) দুপুরে চৌরাস্তা এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। ১৯ বছর বয়সী ওই নারী বর্তমানে চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা বলে জানা গেছে।
অভিযুক্ত ফেরদৌস হাওলাদার (৩০)কচুয়া সদর ইউনিয়নের বারুইখালী গ্রামে কেরামত হাওলাদারের ছেলে।
নির্যাতিত ওই নারী কচুয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, গত ১০ মার্চ রাত আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে ফেরদৌস হাওলাদার ও তার সঙ্গে থাকা দুইজন কৌশলে ঘুমের ওষুধ মিশ্রিত (স্প্রিট) ও মাদক সেবন করিয়ে তাকে অচেতন করে। পরে ফেরদৌসসহ একাধিক ব্যক্তি তাকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করে।
কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা, মনি শংকর পাইক জানান, ভুক্তভোগী নারী জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসেন।
তিনি শারীরিকভাবে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বুঝতে পেরে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরবর্তীতে উন্নত পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য পুলিশি পাহারায় তাকে বাগেরহাট সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, নির্যাতিত নারীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে প্রধান অভিযুক্তকে আটক করা হয়েছে। অন্যান্য আসামিদের আটকে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
সম্পর্কিত খবর
ভারতে তরুণদের বিক্ষোভে সরকারের দমন-পীড়নের পর কী ঘটতে চলেছে
প্রেমিকাকে হত্যার পর পরিবারে ফোন—‘লাশ নিয়ে যা’
রাজধানীর জিরো পয়েন্ট থেকে সদরঘাট পর্যন্ত রাস্তায় কোনো হকার বসতে…
উখিয়া আশ্রয়শিবিরে তিন সশস্ত্র গোষ্ঠীর গোলাগুলি
বেলকুচিতে মা ও শিশু জেনারেল হাসপাতাল উদ্বোধন
৫ হাজার ৩১০ পিস ইয়াবা নিয়ে পল্লবী থানার এএসআইসহ গ্রেফতার…

আরও পড়ুন

বাগেরহাটে অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ
বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলায় বাবার বাড়িতে বেড়াতে আসা অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে ফেরদৌস হাওলাদার (৩০) নামে একজনকে আটক করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) দুপুরে চৌরাস্তা এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। ১৯ বছর বয়সী ওই নারী বর্তমানে চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা বলে জানা গেছে।
অভিযুক্ত ফেরদৌস হাওলাদার (৩০)কচুয়া সদর ইউনিয়নের বারুইখালী গ্রামে কেরামত হাওলাদারের ছেলে।
নির্যাতিত ওই নারী কচুয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, গত ১০ মার্চ রাত আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে ফেরদৌস হাওলাদার ও তার সঙ্গে থাকা দুইজন কৌশলে ঘুমের ওষুধ মিশ্রিত (স্প্রিট) ও মাদক সেবন করিয়ে তাকে অচেতন করে। পরে ফেরদৌসসহ একাধিক ব্যক্তি তাকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করে।
কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা, মনি শংকর পাইক জানান, ভুক্তভোগী নারী জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসেন।
তিনি শারীরিকভাবে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বুঝতে পেরে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরবর্তীতে উন্নত পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য পুলিশি পাহারায় তাকে বাগেরহাট সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, নির্যাতিত নারীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে প্রধান অভিযুক্তকে আটক করা হয়েছে। অন্যান্য আসামিদের আটকে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
