খুঁজুন
শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

দেশে বেশ কিছু নতুন বিশ্ববিদ্যালয় আসার পথে: শিক্ষামন্ত্রী

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১১ মে, ২০২৬, ১:২৪ অপরাহ্ণ
দেশে বেশ কিছু নতুন বিশ্ববিদ্যালয় আসার পথে: শিক্ষামন্ত্রী

বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষার পরিধি আরও বিস্তৃত করতে নতুন কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, দেশে বর্তমানে ১১৬টি বিশ্ববিদ্যালয় কার্যক্রম পরিচালনা করছে এবং এর সঙ্গে আরও কয়েকটি নতুন বিশ্ববিদ্যালয় যুক্ত হতে যাচ্ছে।

সোমবার (১১ মে) রাজধানীর একটি পাঁচতারকা হোটেলে আয়োজিত পাকিস্তান-বাংলাদেশ জ্ঞান বিনিময় করিডোর ও এডুকেশন এক্সপো ২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ তথ্য জানান।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে ৫৭টি প্রতিষ্ঠান ভালো মানের শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে শিক্ষা ও জ্ঞান বিনিময়ের উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন সরকার। বিশেষ করে পাকিস্তানের সঙ্গে শিক্ষা সহযোগিতা বাড়ানোর উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি জানান, পাকিস্তানের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য পরীক্ষার মাধ্যমে যোগ্য শিক্ষার্থীদের নির্বাচন করা হবে। বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের সেখানে উচ্চশিক্ষা গ্রহণে উৎসাহিত করছে সরকার। পাকিস্তানের কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার মান বেশ উন্নত উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ ধরনের সহযোগিতায় বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ পাবে।

এহছানুল হক মিলন আরও বলেন, কিছু ক্ষেত্রে বিনামূল্যে উচ্চশিক্ষার সুযোগও থাকছে। বিশেষ করে ‘আল্লামা ইকবাল স্কলারশিপ’ কর্মসূচিকে সম্ভাবনাময় উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন তিনি।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত ইমরান হায়দার বলেন, ঢাকার পর আগামী ১০ দিনের মধ্যে রাজশাহী, রংপুর, সিলেট ও চট্টগ্রামেও পাকিস্তান-বাংলাদেশ এডুকেশন এক্সপো আয়োজন করা হবে। এর মাধ্যমে দুই দেশের শিক্ষার্থী ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে পাকিস্তানের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ বাড়াতে সহযোগিতা করতে আগ্রহী।

‘ক্লিন সিটি, গ্রিন সিটি’ গড়তে সম্মিলিত উদ্যোগ জরুরি: ডিএসসিসি প্রশাসক

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬, ১০:২৭ অপরাহ্ণ
‘ক্লিন সিটি, গ্রিন সিটি’ গড়তে সম্মিলিত উদ্যোগ জরুরি: ডিএসসিসি প্রশাসক

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম বলেছেন, ঢাকা শহরকে একটি বাসযোগ্য, আধুনিক এবং ‘ক্লিন সিটি, গ্রিন সিটি’ হিসেবে গড়ে তুলতে সিটি কর্পোরেশন নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। তবে এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে সরকার ও প্রশাসনের পাশাপাশি রাজনৈতিক সংগঠন এবং সাধারণ নগরবাসীর সক্রিয় অংশগ্রহণ ও সম্মিলিত প্রচেষ্টা একান্ত প্রয়োজন।

শুক্রবার (১৫ মে) রাজধানীর সরকারি কর্মচারী হাসপাতাল সংলগ্ন সড়ক দ্বীপে (প্রত্যাশা চত্বর) শাহবাগ থানা বিএনপি আয়োজিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

আসন্ন বর্ষা মৌসুমে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধের ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রশাসক বলেন, সাপ্তাহিক ক্লিনিং ডে-এর আওতায় আমরা নগরজুড়ে বিশেষ কার্যক্রম পরিচালনা করছি। তবে মশা নিয়ন্ত্রণে সফল হতে হলে নগরবাসীকেও নিজ নিজ অবস্থান থেকে সচেতন হতে হবে। নিজেদের বাসাবাড়ি ও আঙ্গিনা পরিষ্কার রাখা এবং কোথাও পানি জমতে না দেওয়া আমাদের নাগরিক দায়িত্ব।

আবদুস সালাম বলেন, ঢাকা শহরকে সবুজায়নের মাধ্যমে সুশোভিত করতে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনগুলোর এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ। এ ধরনের কার্যক্রম শহরকে বাসযোগ্য রাখতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রশাসক সরকারি কর্মচারী হাসপাতাল সংলগ্ন সড়ক দ্বীপে একটি চারা রোপণ করে কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করেন। এ সময় শাহবাগ থানা বিএনপি ও স্থানীয় অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

কোচিং সেন্টার নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর কড়া বার্তা

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬, ১১:৫৩ অপরাহ্ণ
কোচিং সেন্টার নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর কড়া বার্তা

কোচিং সেন্টার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের স্বীকৃত বা অধিভুক্ত প্রতিষ্ঠান নয় উল্লেখ করে সেগুলো সরাসরি বন্ধ করার ক্ষমতা সরকারের নেই বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তবে শ্রেণিকক্ষভিত্তিক শিক্ষা কার্যকর ও মানসম্মত হলে একসময় কোচিং সেন্টারের প্রয়োজনীয়তা নিজ থেকেই কমে যাবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘কোচিং সেন্টার কি রেজিস্টার্ড? আমি কি এগুলো বন্ধ করার অথরিটি? আমি তো কোচিং সেন্টার রিকগনাইজ করি না। তবে কোচিং সেন্টার তখনই বন্ধ হবে যখন আর এগুলোর প্রয়োজন থাকবে না।’

তিনি বলেন, শিক্ষার্থীরা মূলত শ্রেণিকক্ষে পর্যাপ্ত ও মানসম্মত পাঠদান না পাওয়ার কারণেই কোচিংনির্ভর হয়ে পড়ছে। ক্লাসরুমভিত্তিক শিক্ষা উন্নত করা গেলে এবং পরীক্ষা ও ভর্তি কার্যক্রমের মধ্যে দীর্ঘ বিরতি কমানো গেলে কোচিংয়ের ওপর নির্ভরতা অনেকটাই কমে আসবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, সরকার ভবিষ্যতে ‘ইন-হাউজ কোচিং’ বা নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের মাধ্যমে অতিরিক্ত পাঠদানের পুরোনো পদ্ধতিকে গুরুত্ব দিতে চায়। এতে শিক্ষার্থীদের বাইরের কোচিং সেন্টারের ওপর নির্ভরতা কমবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

কোচিং সেন্টারের মাধ্যমে প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, ‘আমি তো এত স্মার্ট না, বুঝি নাই যে কোচিং সেন্টার প্রশ্ন ফাঁস করে।

হোস্টেলে সমকামিতা: দুই ছাত্রদল নেতাসহ ৪ জনের সিট বাতিল

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬, ১০:৩২ পূর্বাহ্ণ
হোস্টেলে সমকামিতা: দুই ছাত্রদল নেতাসহ ৪ জনের সিট বাতিল

রাজধানীর সরকারি ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক মেডিকেল কলেজের ছাত্রাবাসে সমকামিতায় লিপ্ত থাকার দায়ে ৪ ছাত্রের সিট বাতিল করা হয়েছে। একই সঙ্গে এক বহিরাগতসহ ৫ জনকে পুলিশে সোপর্দ করার পর ইতোমধ্যে ১৫ দিন কারাদণ্ডও ভোগ করেছেন তারা। এর মধ্যে দুইজন সরকারি ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের পদধারী নেতা।

শাস্তিপ্রাপ্ত চার শিক্ষার্থী হলেন বিএএএমএস (আয়ুর্বেদিক) ৩৩ ব্যাচের আহসানুল ইসলাম চৌধুরী, ৩৪ ব্যাচের মহিবুর রহমান নয়ন ও রাব্বি হোসেন ওরফে আরিয়ান শাহ রাব্বি এবং বিইউএমএস (ইউনানী) ৩৫ ব্যাচের শাহরিয়ার পলক। এর মধ্যে আরিয়ান শাহ রাব্বি ও মহিবুর রহমান নয়ন শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক। বহিরাগত ব্যক্তির পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

জানা গেছে, গত ২২ এপ্রিল রাতে মেডিকেল কলেজটির মসজিদের গলি থেকে ৩৫ ব্যাচের ছাত্র শাহরিয়ার পলক উলঙ্গ অবস্থায় এক বহিরাগতের সঙ্গে আটক হন। তাকে জেরা করা অবস্থায় তিনি ক্যাম্পাসে থাকা আরো কিছু সমকামীর পরিচয় প্রকাশ করেন। এর মধ্যে আরিয়ান রাব্বি, নয়ন ও আহসানও ছিলেন। পরবর্তীতে তাদেরকে কাফরুল থানায় হস্তান্তর করে কলেজ কর্তৃপক্ষ। একই দিন (২৩ এপ্রিল) একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় ছাত্রাবাস থেকে তাদের সিট বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

২৩ এপ্রিল হোস্টেল সুপার ও আবাসিক চিকিৎসক ডা. মো. মকছেদ আলী স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ছাত্র সমকামীতায় আসক্ত শিক্ষার্থীদের কাফরুল থানা পুলিশের নিকট সপর্দ করা হয়। এ বিষয়ে দুপুরে জরুরি একাডেমিক কাউন্সিলের সিদ্ধন্ত মোতাবেক তাদের ছাত্রাবাসের সিট বরাদ্দ সাময়িক ভাবে বাতিল করা হলো।

একজন শিক্ষক জানান, ওই চার শিক্ষার্থীকে জেরা করলে তাদের মোবাইল থেকে ভয়ংকর তথ্য বের হয়ে আসে। মূলত তারা সমকামী নেতা এবং পুরুষ সমকামী (গে) কমিউনিটির প্রধান। প্রায় ৪০টি সমকামী গ্রুপের সাথে তাদের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে।

এছাড়া ওই ৪ শিক্ষার্থী হোস্টেলে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদেরও সমকামিতায় লিপ্ত হতে প্ররোচিত করতেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তিনি বলেন, আটকের পর আরিয়ান রাব্বির ডেস্ক থেকে বিপুল পরিমাণ যৌনচর্চায় ব্যাবহৃত জিনিসপত্র পাওয়া যায়। এমনকি হোস্টেলের ছাত্রদের খালি গায়ে থাকা অবস্থায় ছবি তুলে সমকামী গ্রুপে শেয়ার করারও প্রমাণ মিলেছে।

এ ঘটনায় আটক একজন শিক্ষার্থী এইডস আক্রান্ত বলেও দাবি করেন তিনি। ওই শিক্ষার্থী এমন কর্মকাণ্ডের জন্য জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার হয়ে এই ক্যাম্পাসে আসেন। এছাড়া তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদে ২৮ ও ৩৩তম ব্যাচের আরও অন্তত তিনজনের নাম উঠে আসে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সমকামিতায় অভিযুক্ত শিক্ষার্থীদের আটক ও সিট বাতিলের সত্যতা স্বীকার করেছেন সরকারি ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. মো. রাশিদুজ্জামান খান।

তিনি বলেন, ভ্রাম্যমাণ আদালত তাদের ১৫ দিনের কারাদণ্ড দেয়। ইতোমধ্যে তাদের কারাভোগের মেয়াদ শেষ হয়েছে। আমরা জরুরি একাডেমিক কাউন্সিলের বৈঠকে তাদের সিট বাতিল করেছি। তবে তাদের ছাত্রত্ব থাকবে।

‘ক্লিন সিটি, গ্রিন সিটি’ গড়তে সম্মিলিত উদ্যোগ জরুরি: ডিএসসিসি প্রশাসক কোচিং সেন্টার নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর কড়া বার্তা হোস্টেলে সমকামিতা: দুই ছাত্রদল নেতাসহ ৪ জনের সিট বাতিল তারেক রহমান ঢাবির আইন বিভাগের ছাত্র ছিলেন: আসিফ নজরুল হামে শিশু মৃত্যুতে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি স্বাস্থ্যমন্ত্রীর