খুঁজুন
রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬, ৩ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

জঘন্য এপস্টেইন ফাইলসে আছে যেসব ক্রীড়া ব্যক্তিত্বের নাম

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৪:১১ অপরাহ্ণ
জঘন্য এপস্টেইন ফাইলসে আছে যেসব ক্রীড়া ব্যক্তিত্বের নাম

“এপস্টেইন ফাইলস” বর্তমানে সবচেয়ে আলোচিত একটি বিষয়। চলতি সপ্তাহের শুরুতে, এক সময়ে ভয়ংকর যৌন অপরাধী জেফ্রি এপস্টেইনের তদন্তের নথিপত্রের একটি বড় অংশ জনসমক্ষে প্রকাশ করে মার্কিন বিচার বিভাগ। যেই তদন্ত প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, অনেক রথি-মহারথির নাম।

বিতর্কিত এপস্টেইন ফাইলসে বাদ যায়নি ক্রীড়া জগতের বিখ্যাতদের নামও। ক্রিকেট, ফুটবল থেকে বাস্কেটবল কিংবা গলফ-সব ডিসিপ্লিনের অ্যাথলেটদের নামই উঠে এসেছে এই তালিকায়। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ‘দ্য উইক’ এপস্টেইন ফাইলসে থাকা ক্রীড়া জগতের তারকাদের নাম তুলে ধরেছে।

‘দ্য উইক’ তাদের প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম সেরা ব্যাটার ভারতের শচীন টেন্ডুলকারের নাম রয়েছে এপস্টেইন ফাইলসে। তবে তার রয়েছে ফাইলের ‘মোস্ট অ্যাডমায়ার্ড’ (সবচেয়ে প্রশংসিত) বিভাগে।

অন্যদিকে, বর্তমান ফুটবল বিশ্বের অন্যতম তারকা আর্জেন্টাইন ফুটবল জাদুকর লিওনেল মেসির নামও রয়েছে এপস্টেইন ফাইলসে। শচীনের মতো তার নামও রয়েছে ফাইলের ‘মোস্ট অ্যাডমায়ার্ড’ (সবচেয়ে প্রশংসিত) বিভাগে। একই বিভাগে নাম রয়েছে সাবেক ইংলিশ তারকা ডেভিড বেকহামের নামও।

এপস্টিনের বিশাল এই নথিতে নাম রয়েছে বাস্কেটবল এবং গলফ জগতের দুই কিংবদন্তি মাইকেল জর্ডান ও টাইগার উডসের নামও। টাইগার উডসের নাম একটি ইমেইল তালিকার সূত্রে এসেছে। অন্যদিকে মাইকেল জর্ডানের নাম এসেছে বারাক ওবামার দেওয়া তার ‘প্রেসিডেন্সিয়াল মেডেল’ সংক্রান্ত তথ্যের কারণে।

‘ক্লিন সিটি, গ্রিন সিটি’ গড়তে সম্মিলিত উদ্যোগ জরুরি: ডিএসসিসি প্রশাসক

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬, ১০:২৭ অপরাহ্ণ
‘ক্লিন সিটি, গ্রিন সিটি’ গড়তে সম্মিলিত উদ্যোগ জরুরি: ডিএসসিসি প্রশাসক

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম বলেছেন, ঢাকা শহরকে একটি বাসযোগ্য, আধুনিক এবং ‘ক্লিন সিটি, গ্রিন সিটি’ হিসেবে গড়ে তুলতে সিটি কর্পোরেশন নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। তবে এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে সরকার ও প্রশাসনের পাশাপাশি রাজনৈতিক সংগঠন এবং সাধারণ নগরবাসীর সক্রিয় অংশগ্রহণ ও সম্মিলিত প্রচেষ্টা একান্ত প্রয়োজন।

শুক্রবার (১৫ মে) রাজধানীর সরকারি কর্মচারী হাসপাতাল সংলগ্ন সড়ক দ্বীপে (প্রত্যাশা চত্বর) শাহবাগ থানা বিএনপি আয়োজিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

আসন্ন বর্ষা মৌসুমে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধের ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রশাসক বলেন, সাপ্তাহিক ক্লিনিং ডে-এর আওতায় আমরা নগরজুড়ে বিশেষ কার্যক্রম পরিচালনা করছি। তবে মশা নিয়ন্ত্রণে সফল হতে হলে নগরবাসীকেও নিজ নিজ অবস্থান থেকে সচেতন হতে হবে। নিজেদের বাসাবাড়ি ও আঙ্গিনা পরিষ্কার রাখা এবং কোথাও পানি জমতে না দেওয়া আমাদের নাগরিক দায়িত্ব।

আবদুস সালাম বলেন, ঢাকা শহরকে সবুজায়নের মাধ্যমে সুশোভিত করতে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনগুলোর এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ। এ ধরনের কার্যক্রম শহরকে বাসযোগ্য রাখতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রশাসক সরকারি কর্মচারী হাসপাতাল সংলগ্ন সড়ক দ্বীপে একটি চারা রোপণ করে কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করেন। এ সময় শাহবাগ থানা বিএনপি ও স্থানীয় অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

কোচিং সেন্টার নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর কড়া বার্তা

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬, ১১:৫৩ অপরাহ্ণ
কোচিং সেন্টার নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর কড়া বার্তা

কোচিং সেন্টার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের স্বীকৃত বা অধিভুক্ত প্রতিষ্ঠান নয় উল্লেখ করে সেগুলো সরাসরি বন্ধ করার ক্ষমতা সরকারের নেই বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তবে শ্রেণিকক্ষভিত্তিক শিক্ষা কার্যকর ও মানসম্মত হলে একসময় কোচিং সেন্টারের প্রয়োজনীয়তা নিজ থেকেই কমে যাবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘কোচিং সেন্টার কি রেজিস্টার্ড? আমি কি এগুলো বন্ধ করার অথরিটি? আমি তো কোচিং সেন্টার রিকগনাইজ করি না। তবে কোচিং সেন্টার তখনই বন্ধ হবে যখন আর এগুলোর প্রয়োজন থাকবে না।’

তিনি বলেন, শিক্ষার্থীরা মূলত শ্রেণিকক্ষে পর্যাপ্ত ও মানসম্মত পাঠদান না পাওয়ার কারণেই কোচিংনির্ভর হয়ে পড়ছে। ক্লাসরুমভিত্তিক শিক্ষা উন্নত করা গেলে এবং পরীক্ষা ও ভর্তি কার্যক্রমের মধ্যে দীর্ঘ বিরতি কমানো গেলে কোচিংয়ের ওপর নির্ভরতা অনেকটাই কমে আসবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, সরকার ভবিষ্যতে ‘ইন-হাউজ কোচিং’ বা নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের মাধ্যমে অতিরিক্ত পাঠদানের পুরোনো পদ্ধতিকে গুরুত্ব দিতে চায়। এতে শিক্ষার্থীদের বাইরের কোচিং সেন্টারের ওপর নির্ভরতা কমবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

কোচিং সেন্টারের মাধ্যমে প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, ‘আমি তো এত স্মার্ট না, বুঝি নাই যে কোচিং সেন্টার প্রশ্ন ফাঁস করে।

হোস্টেলে সমকামিতা: দুই ছাত্রদল নেতাসহ ৪ জনের সিট বাতিল

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬, ১০:৩২ পূর্বাহ্ণ
হোস্টেলে সমকামিতা: দুই ছাত্রদল নেতাসহ ৪ জনের সিট বাতিল

রাজধানীর সরকারি ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক মেডিকেল কলেজের ছাত্রাবাসে সমকামিতায় লিপ্ত থাকার দায়ে ৪ ছাত্রের সিট বাতিল করা হয়েছে। একই সঙ্গে এক বহিরাগতসহ ৫ জনকে পুলিশে সোপর্দ করার পর ইতোমধ্যে ১৫ দিন কারাদণ্ডও ভোগ করেছেন তারা। এর মধ্যে দুইজন সরকারি ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের পদধারী নেতা।

শাস্তিপ্রাপ্ত চার শিক্ষার্থী হলেন বিএএএমএস (আয়ুর্বেদিক) ৩৩ ব্যাচের আহসানুল ইসলাম চৌধুরী, ৩৪ ব্যাচের মহিবুর রহমান নয়ন ও রাব্বি হোসেন ওরফে আরিয়ান শাহ রাব্বি এবং বিইউএমএস (ইউনানী) ৩৫ ব্যাচের শাহরিয়ার পলক। এর মধ্যে আরিয়ান শাহ রাব্বি ও মহিবুর রহমান নয়ন শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক। বহিরাগত ব্যক্তির পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

জানা গেছে, গত ২২ এপ্রিল রাতে মেডিকেল কলেজটির মসজিদের গলি থেকে ৩৫ ব্যাচের ছাত্র শাহরিয়ার পলক উলঙ্গ অবস্থায় এক বহিরাগতের সঙ্গে আটক হন। তাকে জেরা করা অবস্থায় তিনি ক্যাম্পাসে থাকা আরো কিছু সমকামীর পরিচয় প্রকাশ করেন। এর মধ্যে আরিয়ান রাব্বি, নয়ন ও আহসানও ছিলেন। পরবর্তীতে তাদেরকে কাফরুল থানায় হস্তান্তর করে কলেজ কর্তৃপক্ষ। একই দিন (২৩ এপ্রিল) একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় ছাত্রাবাস থেকে তাদের সিট বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

২৩ এপ্রিল হোস্টেল সুপার ও আবাসিক চিকিৎসক ডা. মো. মকছেদ আলী স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ছাত্র সমকামীতায় আসক্ত শিক্ষার্থীদের কাফরুল থানা পুলিশের নিকট সপর্দ করা হয়। এ বিষয়ে দুপুরে জরুরি একাডেমিক কাউন্সিলের সিদ্ধন্ত মোতাবেক তাদের ছাত্রাবাসের সিট বরাদ্দ সাময়িক ভাবে বাতিল করা হলো।

একজন শিক্ষক জানান, ওই চার শিক্ষার্থীকে জেরা করলে তাদের মোবাইল থেকে ভয়ংকর তথ্য বের হয়ে আসে। মূলত তারা সমকামী নেতা এবং পুরুষ সমকামী (গে) কমিউনিটির প্রধান। প্রায় ৪০টি সমকামী গ্রুপের সাথে তাদের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে।

এছাড়া ওই ৪ শিক্ষার্থী হোস্টেলে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদেরও সমকামিতায় লিপ্ত হতে প্ররোচিত করতেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তিনি বলেন, আটকের পর আরিয়ান রাব্বির ডেস্ক থেকে বিপুল পরিমাণ যৌনচর্চায় ব্যাবহৃত জিনিসপত্র পাওয়া যায়। এমনকি হোস্টেলের ছাত্রদের খালি গায়ে থাকা অবস্থায় ছবি তুলে সমকামী গ্রুপে শেয়ার করারও প্রমাণ মিলেছে।

এ ঘটনায় আটক একজন শিক্ষার্থী এইডস আক্রান্ত বলেও দাবি করেন তিনি। ওই শিক্ষার্থী এমন কর্মকাণ্ডের জন্য জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার হয়ে এই ক্যাম্পাসে আসেন। এছাড়া তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদে ২৮ ও ৩৩তম ব্যাচের আরও অন্তত তিনজনের নাম উঠে আসে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সমকামিতায় অভিযুক্ত শিক্ষার্থীদের আটক ও সিট বাতিলের সত্যতা স্বীকার করেছেন সরকারি ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. মো. রাশিদুজ্জামান খান।

তিনি বলেন, ভ্রাম্যমাণ আদালত তাদের ১৫ দিনের কারাদণ্ড দেয়। ইতোমধ্যে তাদের কারাভোগের মেয়াদ শেষ হয়েছে। আমরা জরুরি একাডেমিক কাউন্সিলের বৈঠকে তাদের সিট বাতিল করেছি। তবে তাদের ছাত্রত্ব থাকবে।

‘ক্লিন সিটি, গ্রিন সিটি’ গড়তে সম্মিলিত উদ্যোগ জরুরি: ডিএসসিসি প্রশাসক কোচিং সেন্টার নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর কড়া বার্তা হোস্টেলে সমকামিতা: দুই ছাত্রদল নেতাসহ ৪ জনের সিট বাতিল তারেক রহমান ঢাবির আইন বিভাগের ছাত্র ছিলেন: আসিফ নজরুল হামে শিশু মৃত্যুতে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি স্বাস্থ্যমন্ত্রীর